বাঙালির প্রিয় মুসুর ডাল আমিষ, কিন্তু কেন? ৯৯% মানুষই জানেন না

Editor Desk

Updated on:

Follow
Whatsapp Channel

General Knowledge: একই জাতের অথচ দেখো গোত্র আলাদা! না-না জাতপাতে কথা নয়, কথা হচ্ছে মুসুর ডাল নিয়ে। জাতিতে সে ডাল কিন্তু অন্যান্যদের মতোন নিরামিষ নয়, গোত্রে সে আমিষ। কিন্তু ভেষজ প্রোটিন হয়েন আমিষ কেন এই মুসুর ডাল!

গরম গরম ভাত আর তার পাশে মুসুর ডাল, বাঙালির পাতে এতেই জমে যায়। আবার ডায়েটের দিক কার্বস আর সাথে ভরপুর প্রোটিন আর এই কারণেই বাঙালি বাড়িতে মুসুর ডালের সুখ্যাতি রয়েছে। কিন্তু বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ হয়ে যায় মুসুরির ডাল। অর্থাৎ নিরামিষ খাওয়ার দিন। কিন্তু কেন! জানেন কেন বাঙালি হিসেবে মসুর ডালকে আমিষ খাবারের তকমা দেওয়া হয়?

বহুদিন ধরেই মসুর ডালকে আমিষের তালিকাতেই ফেলা হয়। কোন প্রাণী হত্যা না হলেও, প্রাণিজ প্রোটিন না হয়েও আমিষ খাবার হিসেবে গণ্য হয় এই ডাল। ভেষজ প্রোটিন হলেও মসুর ডালকে অ্যানিমাল প্রোটিন হিসেবেই অন্য করা হয়। তবে এর পিছনে রয়েছে সুনির্দিষ্ট কারণ।

মুসুর ডালের গুনাগুন:

আসলে ভেষজ প্রোটিন হলেও মসুর ডালে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন রয়েছে। এক কাপ মসুর ডালে 230 ক্যালরি, প্রায় ১৫ গ্রাম ডায়েটারি ফাইবার, ১৭ গ্রাম প্রোটিন রয়েছে। অন্যান্য ডালে তুলনায় মসুর ডালে প্রোটিনের পরিমাণ সবথেকে বেশি প্রায় ২২.৩ ভাগ। আর যে সমস্ত খাবারে প্রোটিনের পরিমাণ বেশি তাকেই আমিষের তালিকায় ফেলা হয়। এই তালিকায় রয়েছে আরও কিছু সবজি যা সবজি হয়েও আমিষ, যেমন পেঁয়াজ, রসুন, পুঁইশাক, সয়াবিন ইত্যাদি। ভেষজ উৎস হলেও এগুলিতে প্রোটিনের পরিমাণ বেশি থাকাই এগুলিকে আমিষের তালিকায় তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত এই ডাল কিন্তু খাদ্যগুনেও ভরপুর। ওজন কমাতে এটি যেমন সাহায্য করে তেমন হার্ট ভালো রাখতে, কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে। আসলে পলিফেনল সমৃদ্ধ মসুর ডালে অ্যান্টি কোলেস্টেরলেমিক প্রভাব রয়েছে।

About Author

Leave a Comment