মাছের এই বাতিল অংশ ফেলে না দিয়ে বিক্রি করুন, প্রতি মাসে আয় হবে ৩০০০ টাকা

Editor Desk

Follow
Whatsapp Channel

Business Idea: রবিবার সকাল হলেই গিন্নি ব্যাগ ধরিয়ে দেন কর্তার হাতে। জব্বর বাজারে এই দিন থাকে কচি পাঠা ঝোল বা মুরগি তবে বাকি দিনগুলিতে কিন্তু মাছ চাইই চাই। সকাল সকাল মাছের বাজারে গিয়ে প্রিয় মাছ না কিনে আনলে বাঙালির যেন শান্তি হয় না।

কিন্তু মাছ যতটা প্রিয় মাছের আঁশ ততটাই বিরক্তিকর তাইনা! মাছওয়ালা কে তাই মাছ কাটার সময় যত্ন করে মাছের আঁশ ছাড়াতে বলা হয়। যতই অপছন্দের হোক না কেন, জানেন বিকল্প উপার্জনের এক দারুন উপায় এই ‘মাছের আঁশ’! কী অবাক হলেন! মাছ বাজারে প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণ মাছের আঁশ জমা হয় তা বিক্রি করে উপার্জন করা সম্ভব।

ফেলে দেওয়া মাছের আঁশ বিক্রি করে বাড়তি আয়!

যেখানে বাঙালির মাছ প্রীতির জন্য মাছ ব্যবসায়ীরা লাভের মুখ দেখেন সেখানে বেহুলা খুশি মাছ নয়, মাছের আঁশ বিক্রি (Selling Fish Scales) করে। হ্যাঁ মাছের আঁশ বিক্রি করেই ভীষণ আনন্দিত মাছ বিক্রেতা বেহুলা দাস। হাওড়ার বাগনান এলাকায় দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে মাছ বিক্রি করছেন তিনি। তিনি জানাচ্ছেন রুই কাতলা এমন বড় মাছের আঁশ কেজি প্রতি আশি থেকে ১০০ টাকা দাম। অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হলেও এতে মিলছে বাড়তি টাকা হচ্ছে উপার্জন। এইভাবে দিনে ১০০ করে টাকা উপার্জন করছেন তাহলে মাসে মাসে ইনকাম করছেন ৩,০০০ টাকা।

মাছের আঁশ থেকে রূপচর্চা

বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন মাছের আঁশে রয়েছে কোলাজেন,যা যৌবন ধরে রাখার মন্ত্র। ১০ কেজি মাছের আঁশ শুকিয়ে তারপর পাওয়া যায় চার কেজি শুকনো আঁশ। সেখান থেকে বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে ৬০০ গ্রাম কোলাজেন পাওয়া যায়। যদিও এ রাজ্যে কোলাজেন তৈরী হয় না। তাই আঁশ পাঠানো হয় দিল্লি বা গুজরাটে। সেখান থেকে পাউডার তৈরী হয়ে তা রপ্তানি হয় বিদেশে।

ব্যবসায়ীরা এর মাছের আঁশ সংগ্রহ করে ভালো করে ধুয়ে পাঠিয়ে দেন কলকাতার উদ্দেশ্যে। এভাবেই কেজি প্রতি ৪০ থেকে ৫০ টাকা করে রোজকার করেন ওই ব্যবসায়ীরা। এই কাজের মাধ্যমেই বিকল্পের আয়ের সন্ধান খুঁজে নিয়েছেন বেহুলা থেকে ছকমল মিয়ার মতোন ব্যবসায়ীরা।

About Author

Leave a Comment