পশ্চিমবঙ্গে ইলিশ নিয়ে নো টেনশন! এবার পুকুরেই চাষ হবে রুপোলি শস্য, উদ্যোগ কেন্দ্রীয় সংস্থার

Editor Desk

Follow
Whatsapp Channel

Ilish: বাঙালির সাধের ‘রুপালি শস্য’ সে! স্বাদে গন্ধে সে অতুলনীয়। মাছের রানী বললেও ভুল হয়না। বলা হচ্ছে ইলিশ মাছের কথা, আর বাঙালির ইলিশ প্রেমের কথা বললে তা আদি, অকৃত্রিম ও চিরন্তন। ভাজা ইলিশ, ভাপা ইলিশ, সরষে ইলিশ সবকিছুতেই সুখ! ভোজন রসিক বাঙালির কাছে ইলিশ মানে ‘ভজ্য রুপো’। কিন্তু কখনো ভেবেছেন এই ইলিশই মিলবে পুকুরে?

আমরা সকলেই জানি ইলিশ সমুদ্রের নোনা জলে বাস করে। আর প্রজজনকালে ডিম পাড়ার সময় মাসখানেক কাটাই নদীর মিঠা জলে। অর্থাৎ ইলিশের জন্য ভরসা করতে হয় সমুদ্র আর নদীর ওপরে। কিন্তু পুকঙরের জলেও নাকি ইলিশ চাষ সম্ভব! হ্যা এমনটাই সম্প্রতি দাবী করা হয়েছে।

পুকুরে ৭০০ গ্রামের ইলিশ!

শুনতে অদ্ভুত লাগলেও বাস্তবে পুকুরের জলে ইলিশ চাষ করে হাতেনাতে প্রমাণ দিয়েছে মৎস্য বিজ্ঞানীরা।‌ কেন্দ্রীয় সংস্থার অধীনে রাজ্যের পুকুরে চলছে ইলিশ চাষ। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ এগ্রিকালচার রিসার্চ এর অধীনস্থ মৎস্য গবেষণা সংস্থার নাম সেন্ট্রাল ইনল্যান্ড ফিসরিজ রিসার্চ ইনস্টিটিউট যা ব্যারাকপুর ফিশারি নামেও পরিচিত। এর সঙ্গে তিনটি সংস্থা যারা মৎস্য চাষ ও গবেষণায় যুক্ত তাদের যৌথ উদ্যোগে পুকুরে চলছে ইলিশ চাষ। এই পুকুরে যে ইলিশ চাষ চলছে সেই ইলিশের সর্বোচ্চ ওজন প্রায় ৭০০ গ্রাম।

গবেষণায় সাফল্যলাভ

প্রসঙ্গত ইলিশ সংরক্ষণ যে পদ্ধতিতে করা হয় তা যথেষ্ট ব্যয়বহুল আবার সাধারণত এক্ষেত্রে যে জাল ব্যবহার করা হয় তাতে ছোট ইলিশ ধরা পড়ে ফলে ইলিশের বংশবৃদ্ধি নষ্ট হয়। তাই এই নিয়েই গবেষণা চালানো হয়েছিল 2012 থেকে 2017 সাল পর্যন্ত। তাদের প্রথম উদ্দেশ্য ছিল গবেষণার মাধ্যমে ইলিশ মাছের জীবন চক্রকে একটি জায়গার মধ্যে নিয়ন্ত্রণ করা যায় কিনা তা দেখা। সেই সময়ই পুকুরে ইলিশ মাছ চাষের ভাবনা আসে। এই নিয়ে গবেষণা করতে করতেই সাফল্য লাভ করেছেন বিজ্ঞানীরা।

About Author

Leave a Comment