রাজ্যে শিক্ষকদের জটিলতা বাড়ল! ডিআই-এর নয়া নির্দেশে দিশেহারা শিক্ষক মহল

Editor Desk

Follow
Whatsapp Channel

West Bengal School Service Commission: লোকসভা ভোটের মরশুমে স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে রাজ্য সরকার। এই কাণ্ডে চাকরি বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল ২৫ হাজার জনের। এরপর তাদের চাকরির বহালের কথা বলা হলেও তদন্ত জারি রয়েছে।

অযোগ্য ও ভুয়ো শিক্ষকদের খুঁজতে ইতিমধ্যে হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে রাজ্যের সমস্ত শিক্ষকের নথি চেয়েছিল শিক্ষা দপ্তর। জানানো হয়েছিল শিক্ষকদের জমা দিতে হবে তাদের যাবতীয় নথিপত্র, তা দেখেই চলবে বাছাই পর্ব। শুধুমাত্র 2016 সালের নিয়োগ হওয়া নয় বর্তমানে যে সকল শিক্ষকরা কর্মরত অবস্থায় আছে তাদের সকলকে নথি জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর এই ঘিরেই সমস্যার জট ঘনীভূত হচ্ছে।

মিলছে না নিয়োগ নথি

কর্মরত সব স্কুল শিক্ষককে তাদের নিয়োগ সংক্রান্ত নথি জেলা স্কুল পরিদর্শক এর কাছে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আর এই নির্দেশগুলি শিক্ষক মহলে জমেছে অসন্তোষের মেঘ। তাদের অভিযোগ স্কুল সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষা পদ্ধতি চালু হওয়ার আগে অর্থাৎ ১৯৯৮ এর আগের নিয়োগ নথির অনেক তথ্য স্কুলগুলিতে এখন অমিল। ফলে নথি জমা দেওয়ার প্রশ্নে অসংগতি থেকে যাওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা থেকে যাচ্ছে। যার সূত্র ধরে নিয়োগেও কোনদিনও হয়েছে কিনা সে প্রশ্ন থেকে যাবে।

১৯৯৮ এর আগের শিক্ষক নিয়োগ

এই সময়ই নিয়োগ করা হতো মূলত এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ এর তালিকা ভুক্ত প্রার্থীদের যোগ্যতা ও স্কুল পরিচালন সমিতির সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে। সাক্ষাৎকারের পরে প্যানেল তৈরি করে DI দের কাছে পাঠানো ছিল রীতি।

পরিদর্শক সেই প্যানেল অনুমোদন করলে তালিকা অনুযায়ী প্রার্থীদের ঠিকানায় নিয়োগপত্র যেত। সূত্রের দাবি সেই অনুমোদন করা প্যানেল অনেক ক্ষেত্রে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রেই স্কুলে পরিদর্শকের অনুমোদন করা প্যানেল পাওয়া যাচ্ছে না। ১৯৯৮ এর আগে কোনো লিখিত পরীক্ষা ছিল না তাই আরো সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। এর সমাধান আদৌ সম্ভব কিনা তাই নিয়ে দ্বন্দ্ব থেকেই যাচ্ছে।

About Author

Leave a Comment